• Hello Guest ,

    *** রেজিস্ট্রেশন করার পর "Confirmation Email" না পেলে "Spam" ফোল্ডার চেক করুন। ***

Jonmodin O Aponar Vagya | Mahajataq | | Super HQ

suvom

suvom

Western Lover
Staff member
Moderator
Uploader
Mar 16, 2013
492
305,609
Time online
1d 19h 52m
Credits
4,964
#1
জন্মদিন ও আপনার ভাগ্য
মহাজাতক

[শুভ'স কালেকশন]

‘জন্মদিন ও আপনার ভাগ্য’ জ্যোতিষ বিজ্ঞানের জটিল পরিভাষামুক্ত সহজ সাবলীল ভাষায় আপনার নিজেকে বোঝার ও জানার গ্রন্থ। রাশি ও জন্মদিনের আলোকে এ-বই থেকে আপনি আপনার নিজের শুভাশুভ জানার পাশাপাশি কারো সহায়তা ছাড়াই জানতে পারবেন বন্ধু ও প্রিয়জনদের চরিত্র বৈশিষ্ট, শুভ রং, শুভ রত্ন, শুভ দিন-তারিখ সহ সকল শুভাশুভ। বন্ধু ও প্রিয়জন সম্পর্কে জেনে আপনি যেমন তাদের সাথে সম্পর্কন্নয়ন করতে পারবেন, তেমনি পারবেন আপনার প্রভাব ও পরিচিতির বলয় বাড়াতে।

You must be registered for see images

You must be registered for see images

You must be registered for see images

You must be registered for see images

You must be registered for see images

You must be registered for see images

নামঃজন্মদিন ও আপনার ভাগ্য
লেখকঃ মহাজাতক
পৃষ্ঠাঃ ২৩৩
কৃতজ্ঞতাঃ মৌসুমী
কভার, স্ক্যান ও এডিটঃ শুভম
প্রকাশনাঃ প্রজাপতি
প্রকাশকালঃ ১৯৯৩
সাইজঃ ১৬.৮ মেগাবাইট
রেজুলেশনঃ ৬০০ ডিপিআই

You must be registered for see images

You need to like this in order to view this content.

You must be registered for see images
 
Last edited:
*** ক্রেডিট বিষয়ে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
*** ডুপ্লিকেট, অপ্রাসঙ্গিক কমেন্ট মুছে ফেলা হবে।
*** thanks, awesome, good, ভালো আপলোড, চালিয়ে যান ..... এই জাতীয় কমেন্ট না করে গঠনমুলক মন্তব্য করুন।
*** বাংলিশ কমেন্ট অ্যাপ্রুভ করা হয় না।
*** মুল পোস্ট থেকে রিপ্লাই না করে নিচে এসে কমেন্ট বক্স ব্যাবহার করুন।।
*** লিঙ্ক ডেড হলে সরাসরি আপলোডারকে মেসেজ করুন, কমেন্ট করার প্রয়োজন নেই।
A

abid78786

Well-Known Member
Feb 12, 2016
46
229
Time online
0m
Credits
128
#2
শুভম ভাইকে ধন্যবাদ তার অক্লান্ত প্রচেষ্টার জন্য।
তবে হায়াত মউত ভাগ্য রিযিক সব আল্লাহর হাতে। গননায় বিশ্বাস করা ইসলাম সমর্থন করেনা।বইটি পড়ার সময় মুসলিম পাঠকদের এই বিবেচনা থাকলে ভাল হয়।
 
Last edited:
sultana

sultana

Moderator
Staff member
Moderator
Donor
Sep 15, 2013
565
2,162
Time online
0
33
Credits
70
#3
আমি মূলত এগুলোতে বিশ্বাস করি না কিন্তু একটু মিলাবার ছলে পড়ি । তবে আফসোস হচ্ছে যে ডাউনলোড করতে পারলাম না ডাটার অভাবে । এইটা কিভাবে করে জানি না তবে চাইনিজ রাশিগুলোর ভাগ্য কাহিনী তে আমারটা অনেকাংশে মিলে যায় তাই অনেক সময় এমনি মিলাবার জন্যই দেখি আর ফলো করি । অনেক ধন্যবাদ ।
 
H

Hasnat Bin Jubayer

Active Member
Jun 5, 2015
13
156
Time online
27m
Credits
40
#5
ভুলেও এসব বিশ্বাস করবেন না।ভাগ্য আপনার হাতে।আপনার ভাগ্য আপনি নিজেই গড়তে পারবেন।ইচ্ছাশক্তি বলে একটা কথা আছে।জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে পড়লে ভিন্ন কথা কিন্তু মুসলিম হলে এসব বিশ্বাস করবেন না।
 
Likes: Kobial Kawser
B

b.m.hasan

Member
May 22, 2015
12
29
Time online
16m
Credits
44
#6
suvom vai, prothomei apnake onek dhonnobaad janai boiti upload korar jonno. Kintu vai boiti te 28 and 29 prishtha duiti missing. Please, apni ki prishtha duiti add kore ditey parben? Apnake abaro dhonnobaad.
 
R

rezoan14

New Member
Jun 8, 2015
3
9
Time online
0
Credits
0
#7
শুভম ভাইকে ধন্যবাদ তার অক্লান্ত প্রচেষ্টার জন্য।
তবে হায়াত মউত ভাগ্য রিযিক সব আল্লাহর হাতে। গননায় বিশ্বাস করা ইসলাম সমর্থন করেনা।বইটি পড়ার সময় মুসলিম পাঠকদের এই বিবেচনা থাকলে ভাল হয়।

আসসালামু আলাইকুম ভাই।
আপনার মন্তব্যটা চমৎকার, তবে আমার মনে হয় বিষয়টি আরো পরিষ্কার হওয়ার দরকার আমাদের সবার। যেহেতু মহাজাতক বইটি লিখেছেন তাই তার নিজের জবানীতেই এর একটি চমৎকার তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

ধন্যবাদ :)

**********
প্রশ্ন : ইসলামের দৃষ্টিতে কি জ্যোতিষশাস্ত্র হারাম? হাত দেখা, কোষ্ঠি করা, ঠিকুজি করা কি নিষিদ্ধ? এজন্যেই কি আপনি ছেড়ে দিয়েছেন? আমি রত্ন পরি এবং বিশ্বাস করি কোনো সমস্যা হবে না।
উত্তর : জ্যোতিষবিজ্ঞান বা এস্ট্রলজি একটি সায়েন্স। এটি হলো সায়েন্স অফ প্রোবাবিলিটিস বা পসিবিলিটিস। অর্থাৎ কী হতে পারে তা নিয়ে অভিমত, ব্যাখ্যা, পর্যালোচনা বা অনুমান-এটাই হলো জ্যোতিষবিজ্ঞান। আর ইসলামের দৃষ্টিতে এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিশিষ্ট আলেমদের অভিমত আমরা গ্রহণ করেছি। আল্লামা হযরত মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম, আল্লামা আলাউদ্দিন আল আজহারী, আল্লামা হাফেজ মুহম্মদ হাবীবুর রহমান প্রমুখ দেশবরেণ্য আলেমদের সাথে আমি এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আলাপ করেছি।

তারা সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, একমাত্র আল্লাহই পারেন ‘নিশ্চিতভাবে কোনোকিছু ঘটবে’ এটা বলতে, কোনো মানুষ তা পারে না। কিন্তু কেউ যখন কোনো সম্ভাবনার কথা বলে, বলে এটা হতে পারে, সেটা ঘটতে পারে, তখন তা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। এবং এস্ট্রলজির আলোকে কেউ যদি এই সম্ভাবনার কথা বলে তাহলে তা ইসলামের বৈধতার সীমার মধ্যেই থাকে।

পবিত্র কোরআনের সূরা জ্বীনের ২৬-২৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘গায়েব বা ভবিষ্যৎ শুধুমাত্র তিনিই জানেন, যদি না তিনি কাউকে জানান, যেমন তিনি রসুলদের জানিয়েছেন।’ অর্থাৎ জানার পথ খোলা আছে। তিনি যে কাউকে ইচ্ছা ভবিষ্যৎ জানাতে পারেন, যে কাউকে ইচ্ছা গায়েব জানাতে পারেন, এটা ওনার এখতিয়ারে। আর এটা আল্লাহর একটি আশ্বাসই যে, যে যা জানতে চায়, আল্লাহ সেই বিষয়ে তাকে জ্ঞান দান করেন।

আসলে জ্যোতিষী নিয়ে আমাদের সমাজে অনেকের মধ্যে যে বিরূপ মনোভাব তার মূলে আছে সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি। কারণ আমাদের এখানে অতীতে জ্যোতিষচর্চা করতেন মূলত ব্রাহ্মণ পন্ডিতরা। অতএব জ্যোতিষ-বিজ্ঞান চর্চা করলে সে মুসলমান থাকবে না। সেইসাথে কোরআন-হাদীসের পক্ষপাতদুষ্ট ব্যাখ্যার মাধ্যমে কট্টরপন্থী একশ্রেণীর আলেম এ বিষয়টিকে ধর্মীয় নিষেধের বেড়াজালে বন্দি করে ফেলেন। তারা গণকের ভাগ্য গণনার সাথে জ্যোতিষ বিজ্ঞানকে একাকার করে ফেলেন।

অথচ ইসলামের স্বর্ণযুগে যত বড় বড় পন্ডিত ছিলেন-আল বেরুনী, ইবনে খালদুন, ইবনে সিনা, ইবনে রুশদ, আল বাত্তানী, আল কিন্দি, আল আন্দালাসী, আল জারকালি, ইবনে বাজ্জা, ইবনে তোফায়েল, ইবনে আরাবী, ইব্রাহীম আল ফাযারি, আল ফারগানি, আল খারেজমি, আল তারাবি, ওমর খৈয়াম, ইবনে ইউনুস, উলুগ বেগ, নাসিরুদ্দিন আল তুসী প্রমুখ মুসলিম মনীষীগণ জ্যোতিষ বিজ্ঞানের চর্চা করেছেন।

কারণ তাদের অনুপ্রেরণা ছিলো পবিত্র কোরআনের বাণী-‘নিশ্চয়ই আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, দিন-রাত্রির আবর্তনে জ্ঞানীদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। তারা দাঁড়িয়ে, বসে বা শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে। তারা আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিরহস্য নিয়ে গভীর ধ্যানে নিমগ্ন হয় এবং বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি এসব অনর্থক সৃষ্টি কর নি’ (সূরা আলে ইমরান ১৯০-১৯১)। পবিত্র কোরআনের ৮৫ নং সূরাটির নাম ‘বুরুজ’ যার মানে রাশিচক্র। আরবি ভাষায় রাশিকে বুরুজ বলা হয়।

বাগদাদের নিজামিয়া মাদ্রাসা তখন ছিলো বিশ্বের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানকার পাঠ্যতালিকায় ছিলো এই ইলমে আল নাজ্জুমী যা একইসাথে এস্ট্রলজি এবং এস্ট্রনমি-দুটোকেই বোঝাতো। এমন কোনো মুসলিম পন্ডিত ছিলেন না যিনি এস্ট্রলজিতে দক্ষ ছিলেন না। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে বেয়ার’স স্টার চার্ট বা বেয়ারের তারাতালিকা ব্যবহারের আগ পর্যন্ত প্রচলিত ছিলো ‘জিজ-ই-উলুগ বেগ’ বা উলুগ বেগের তারাতালিকা যা প্রণয়ন করেন মধ্যযুগের সবচেয়ে খ্যাতনামা মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানী উলুগ বেগ। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে যত নক্ষত্রের নাম রয়েছে এর তিন ভাগের এক ভাগই হচ্ছে আরবি নাম।

পন্ডিত আল বেরুনী ছিলেন সুলতান মাহমুদের রাজ জ্যোতিষ। তিনি যখন সুলতান মাহমুদের দরবারে আসেন সুলতান তার জ্যোতিষ বিজ্ঞানে দক্ষতা পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি আল বেরুনীকে বললেন, আগামীকাল আমি কোন দরজা দিয়ে সিংহাসনে প্রবেশ করবো, তা বলতে হবে।

সিদ্ধান্ত হলো-আল বেরুনী সব হিসেব-নিকেশ করে তার সিদ্ধান্ত লিখে একটা খামে সিলগালা করে সুলতানকে দেবেন। সুলতান খামটি সিংহাসনে রেখে যাবেন। পরদিন সুলতান দরবারে এসে সবার সামনে তা খুলবেন। যথানিয়মে আল বেরুনী তার ছক কষে হিসেব করে তার ভবিষ্যদ্বাণী লিখে খাম সিলগালা করে সুলতানের হাতে দিলেন। সুলতান তা সিংহাসনে রেখে দরবার শেষ করে বেরিয়ে এলেন। এসেই হুকুম করলেন-দেয়াল ভেঙে রাতের মধ্যেই নতুন একটি দরজা নির্মাণ করতে হবে।

যথারীতি দরজা নির্মিত হলো। পরদিন সুলতান মাহমুদ নতুন দরজা দিয়ে হাসতে হাসতে দরবারে প্রবেশ করলেন। ভাবখানা এই যে, আল বেরুনীকে আজ ভালভাবেই জব্দ করা যাবে। কারণ স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যমান তিনটি দরজার যেকোনো একটির কথাই কাগজে লেখা থাকবে।

সুলতান সিংহাসনের দিকে এগিয়ে গেলেন। খামটি তুললেন। মন্ত্রীর হাতে দিলেন। খুলে পড়তে বললেন। মন্ত্রী খাম খুললেন। কাগজে লেখা আছে- সুলতান আজ নতুন একটি দরজা দিয়ে দরবারে প্রবেশ করবেন।

দরবারসুদ্ধ সভাসদরা বিস্ময়ে হা হয়ে গেলেন।

কবি হিসেবে বিখ্যাত হলেও ওমর খৈয়াম ছিলেন খোরাসানের রাজ জ্যোতিষ। তিনি ‘তারিখ ই জালালি’ নামে নির্ভুল ক্যালেন্ডার তৈরি করেন। গ্রেগরী ক্যালেন্ডারের সাথে তুলনা করলেই খৈয়ামের গণনার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হয়। বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রচলিত গ্রেগরী ক্যালেন্ডার অনুসারে ৩৩৩০ বছরের গণনায় একদিনের পার্থক্য দেখা দেবে। অপরদিকে ওমরের ক্যালেন্ডার হিসেবে গণনা করলে ৫০০০ বছরে একদিনের তারতম্য দেখা দেবে।

ওমর খৈয়ামের জ্যোতিষ-জ্ঞান এত নির্ভুল ছিলো যে, নিজের মৃত্যুর দিন-ক্ষণ সম্পর্কে তার ধারণা ছিলো। ঐতিহাসিক শাহজুরির বর্ণনা অনুসারে-‘মৃত্যুর দিন খৈয়াম রোজা রেখেছিলেন। মাগরিবের সময় হলে তিনি নামাজে দাঁড়ান। সেজদায় গিয়ে তিনি উচ্চস্বরে বলেন-আল্লাহ! যথাসাধ্য তোমাকেই চেয়েছি। আজ আমার মিনতি-তোমার করুণা ও ক্ষমা থেকে যেন বঞ্চিত না হই’। সেজদা থেকে তিনি আর ওঠেন নি।

আমি যখন এস্ট্রলজি চর্চা করেছি তখন ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিই আমার সামনে পরিষ্কার ছিলো। যদিও সেসময়ও এসব নিয়ে মাঝে মাঝে হাস্যকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো।

যেমন, একবার এক বিয়েবাড়িতে গিয়েছি। অতিথিদের সাথে আমাকে পরিচিত করিয়ে দেয়া হচ্ছে। তখন সেখানে উপস্থিত একজন বিশিষ্ট মওলানা আমার পরিচয় পেয়েই উত্তেজিত হয়ে উঠলেন। সবার সামনেই সরাসরি আক্রমণ করে বলে উঠলেন, আপনি তো জ্যোতিষ, মহাজাতক। আপনি হাবিয়া দোজখে যাবেন।

আমি বিনয়ের সাথে জিজ্ঞেস করলাম-কেন হুজুর!

তিনি রুক্ষ স্বরে বললেন, আপনি ভবিষ্যদ্বাণী করেন।

আমি দেখলাম যে, এখন যদি এ কথার কোনো জবাব না দিই তাহলে উপস্থিতদের মধ্যে একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আমি হেসে বললাম, হুজুর, আপনার কথা যদি ঠিক হয় তাহলে আমার কোনো দুঃখ নেই। কারণ সেখানে আপনার মতো আলেমের কাছাকাছিই আমি থাকবো।

এ কথা শুনে তিনি আবার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন। কারণ আমার মতো একজন জ্যোতিষ তাকে এরকম মন্তব্য করবে এটা তিনি ভাবতেই পারেন নি। আমি বললাম, হুজুর, রাগ করার আগে আমাকে তো একটু জিজ্ঞেস করবেন যে, কেন আমি এ কথা বলেছি।

আমার কথা শুনে উপস্থিত অতিথিরা বললেন, ঠিক কথা। বলেন।

আমি তখন বললাম, হুজুর দেখেন, আমরা ভবিষ্যদ্বাণী করি এক বছর, দুই বছর, ১০ বছর, ২০ বছর-বড়জোর ৫০ বছরের জন্যে। আর আপনি আমি মারা যাবো, আপনি মারা যাবেন। কুল মাখলুকাত ধ্বংস হবে। কেয়ামত হবে, তারপর হাশর হবে, তারপর নির্ধারিত হবে কে কোথায় যাবে না যাবে। অর্থাৎ হাজার বা লক্ষ বছর পর কী ঘটবে সেই ভবিষ্যদ্বাণী আপনি করলেন আমার ব্যাপারে। যদি ৫০ বছর পরের ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্যে আমাকে হাবিয়া দোজখে যেতে হয়, তাহলে লক্ষ বছর পরের ভবিষ্যদ্বাণী করে আপনাকেও হাবিয়া দোজখে যেতে হবে। কারণ এর চেয়ে নিকৃষ্ট দোজখ তো আর নেই। সেই জন্যে বলেছি-হুজুর, আপনার কথা যদি ঠিক হয় তবে দোজখে আপনার কাছাকাছিই আমি থাকবো। শুনে তিনি চুপ হয়ে গেলেন।

এখন আসি আপনার প্রশ্নে যে, কেন আমি জ্যোতিষ চর্চা করছি না। আমি আমার জীবনে যখন যা করেছি তা করেছি পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে। ফলে কোয়ান্টাম মেথডের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার পর এস্ট্রলজির মতো ব্যাপক একটি বিষয়ে মনোযোগ দেয়া আর আমার পক্ষে সম্ভব হয় নি। কারণ তাহলে তা হতো আমার ক্লায়েন্টদের বঞ্চিত করা। আর সেইসাথে আমি বিশ্বাস করি, এখন আমি যা করছি তা এস্ট্রলজির চেয়ে মানুষের অনেক বেশি কল্যাণ করছে। কারণ আগে বলতে পারতাম যে, আপনার এই রোগ হতে পারে, এই অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু এখন বলতে পারি, এই রোগ হতে পারে কিন্তু আপনি যদি মেডিটেশন করেন, এই করণীয়গুলো অনুসরণ করেন তাহলে ইনশাল্লাহ আপনি এ থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

আর দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে রত্ন পরে আপনি যদি মনে করেন যে, এটা আপনাকে প্রোটেকশন দেবে, তাহলে আপনি ভুল করবেন। রত্ন পরে সমস্যার সমাধান করা যায় না। রত্ন পরে কোটিপতি হওয়া যায় না। একবার একজন এসে আমাকে খুব করে ধরলো তাকে এমন একটা পাথর যোগাড় করে দিতে হবে যা পরলে ছয় মাসে সে কোটিপতি হয়ে যাবে। আমি তখন জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে আমি কী দোষ করেছি? যদি এরকম কোনো পাথর থাকতোই যা পরে কোটিপতি হওয়া যায় তাহলে তো সেটা আমি প্রথম পরতাম। আপনাদের পরামর্শ দিয়ে ফি পাবো বলে এখানে বসে থাকতাম না।

আসলে রত্ন-পাথর কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের জন্যে, শারীরিক-মানসিক সুস্থতার জন্যে উপকারি। অনেকটা ওষুধের মতো। এটা আপনার ভাগ্যকে বদলাতে পারবে না, বা পারবে না আপনাকে প্রটেকশন দিতে।


source:
 

Newest members

  • P
  • kripayan
  • S
  • Rothin Sharma
  • I
  • S
  • S
  • J
  • S
  • Masud506

Forum statistics

Threads
3,196
Messages
32,309
Members
55,923
Latest member
Pratim01

Online statistics

Members online
9
Guests online
41
Total visitors
50

User Menu

About File Sharing

  • আমাদের ওয়েবসাইট কোন ফাইল হোস্ট করে না। কপিরাইট নিয়ে অভিযোগ থাকলে সরাসরি যিনি ফাইলটি শেয়ার করেছেন এবং যেখানে ফাইলটি হোস্ট করা হয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগের অনুরোধ করা হল। এই ওয়েবসাইট একট সোশ্যাল ফোরাম মাত্র। এখানে যারা পোস্ট করেন, তাদের পোস্টের জন্য শুধুমাত্র তারাই ব্যাক্তিগতভাবে দায়ী। Banglapdf.net কোন প্রকার কন্টেন্টের দায়ভার নিবে না। ধন্যবাদ।